নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর থেকে শহরের প্রাণ কেন্দ্র চাষাঢ়ায় শহীদ মিনারে ঘুরতে আসা এক কিশোরীকে তিন দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগে দুই নারীসহ ৪ জনকে গ্রেফতর করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
৭ নভেম্বর সোমবার মধ্য রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত শহরের ডনচেম্বার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে গণধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে।
মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে নারায়নগঞ্জ সদর মডেল থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরো ৩ জনের নামে মামলা দায়ের করেছে।
ওই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত চারজনের মধ্যে আশিক ডনচেম্বার আজগর হোসেনের বাড়ি ভাড়াটিয়া জামাল ইসলামের ছেলে, রুনা ফতুল্লা কায়েম পুর এলাকার নূর মোহাম্মদের স্ত্রী, সুমি আক্তার কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানার মধুপুর এলাকার জাহিদের স্ত্রী ও অভি দেওভোগ পানি ট্যাংকি এলাকার সিদ্দিকের ছেলে।
ধর্ষিতার বান্ধবী বলেন, আমি ও আমার বান্ধবী মিলে শহরের চাষাঢ়ায় শহীদ মিনারে আসি। পরে এক নারী আমাদের জোর করে চাপ খাওয়ায়। তখন থেকেই আমরা ভুলোমন হয়ে যাই। আমাদের ঘুরতে নিয়ে যায় কেরানীগঞ্জ পানগাঁও এলাকাতে। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রাখে। কিছুক্ষন পর আমাকে চলে যেতে বলে। আমি আসতে চাই নাই পরে ওই নারী আমাকে দিয়ে যায় চাষাঢ়া শহীদ মিনারে। আর বান্ধবীকে নিয়ে যায় অজ্ঞাত স্থানে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) রূপন চন্দ্র সরকার জানান, সোমবার রাতে একটি খবর পাই গত ৫ নভেম্বর রাতে চাষাঢ়া শহীদ মিনার থেকে দুই কিশোরীকে খাবার খাইয়ে ঘুরতে নিয়ে একজনকে অসৎ উদ্দেশ্যে আটকে রাখে আর অপর একজনকে ছেড়ে দেয়। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে দুই নারীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ওই কিশোরীকে। পরে কিশোরী জানায় তাকে বিভিন্ন বাসায় আটকে রেখে গণধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Leave a Reply